বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা

Institute Type

ফটোগ্যালারি

নং নাম অফিসের ছবি অর্জন ভবিষৎ পরিকল্পনা মেধাবী ছাত্রবৃন্দ শিক্ষাবৃত্তি তথ্যসমুহ ইতিহাস ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক) বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল যোগাযোগ সংক্ষিপ্ত বর্ণনা প্রতিষ্ঠাকাল পাশের হার মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ধরণ ফটোগ্যালারি প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা কার্যকলাপ
  
                 
চিকনাগোল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়

সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলাধীন চিকনাগুল ইউনিয়নে ঘাটের চটি গ্রামের শূক্রবারী বাজার নামক স্থানে চিকনাগোল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়টি অবস্থিত। এলাকার মোরব্বীয়ানদের আর্থিক সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৯ সালে বাশের বেড়া দিয়ে দুইটি কক্ষের মাধ্যমে শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তীতে এটি নিম্ন মাধ্যমিক থেকে এমপিও ভুক্তি করা হয়। বর্তমানে এটি অত্র এলাকার একটি আদর্শ বিদ্যাপীঠ হিসেবে পরিচিত।

সভাপতি: ডাঃ আবুল হাসনাত চৌধুরী

গ্রাম: পশ্চিম  ঠাকুরের মাটি

ডাক: চিকনাগুল-৩১৫২

উপজেলা: জৈন্তাপুর

জেলা: সিলেট।

মোবা: ০১৭১৮-৪০২৩৪৫

মো: নুরুল ইসলাম

প্রধান শিক্ষক

চিকনাগোল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়

ডাক: চিকনাগুল-৩১৫২

উপজেলা: জৈন্তাপুর

জেলা: সিলেট।

মোবা: ০১৭১৮-৪০২৩৪৫

সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলাধীন চিকনাগুল ইউনিয়নে ঘাটের চটি গ্রামের শূক্রবারী বাজার নামক স্থানে চিকনাগোল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়টি অবস্থিত। এলাকার মোরব্বীয়ানদের আর্থিক সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৯ সালে বাশের বেড়া দিয়ে দুইটি কক্ষের মাধ্যমে শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তীতে এটি নিম্ন মাধ্যমিক থেকে এমপিও ভুক্তি করা হয়। বর্তমানে এটি অত্র এলাকার একটি আদর্শ বিদ্যাপীঠ হিসেবে পরিচিত।

১৯৮৯ ৯৮% ৪৫০ মাধ্যমিক বিদ্যালয়
দেখুন
জলঢুপ দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়

ফলাফলে ক্রমোন্নোতি এবং শিক্ষার সুষ্টু পরিবেশ বজায় রেখে প্রতিষ্টানে ঐতিহ্য অক্ষুন্ন রাথতে সক্ষম।

শিক্ষার মান আবো উন্নতিকরন এবং বিদ্যালয়ে উচ্চ মাধ্যমিক্ওকারিগরি শিক্ষা চালু করার ভবিষ্যত পরিকল্পনা রয়েছে।

পরীক্ষার সন

টেলেন্টপুল

সাধারন

২০০৬

০০

০৪

২০০৭

০১

০৪

২০০৮

০০

০১

২০০৯

০০

০২

২০১০

০২

০৪

জলঢুপ অতি প্রাচীন্ও ঐতিহ্যমন্ডিত জনপদ। এ জনপদের প্রাচীনতম স্থাপনার মধ্যে জলঢুপ থানা্ও জলঢুপ উচ্চ বিদ্যালয় অন্যতম। জলঢুপ কমলাবাড়ী নিবাসী  বাবু সত্যে্ন্দ্র নাথ শর্মা(সত্যবাবু) এর নেতৃত্বে এলাকার গন্য মান্য ব্যক্তি বর্গের সহযোগিতায় বড়বাড়ীর বংক বিহারী শর্মার পরিবার বর্গের ক্রয়কৃত ৪০ শতক জমির উপর ১ম বিদ্যালয় ঘর নির্মান করা হয়। প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বাবু বংক বিহারী শর্মা&ও সচিব বাবু সত্যেন্দ্র নাথ শর্মাএবং প্রধান শিক্ষক সারদাচরন অধিকারী (BA)।প্রথম অবস্থায় বিদ্যালয়টি এম,বি (মধ্যবঙ্গ) এবং পরবর্তীতে ১৯৪৯ইং সন পর্যন্ত এম,ই(মধ্য ইংরেজী) বিদ্যালয় হিসাবে স্বীকৃত। ১৯৪৯ ইং সনে প্রথম মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃতি পায়।১৯৭২ সনে বিজ্ঞান শাখার অনুমোদন লাভ করে। বিদ্যালয়ে ৫টি অতিরিক্ত অনুমোদিত শাখা আছে যার মধ্যে ২০০২সনে ৬ষ্টুখ,৭ম-খ,২০১১সনে ৭ম-গ, ৯ম-খ এবং ১০ম-খ শাখার অনুমোদন্ও ২০০৪ সনে কম্পিউটার শাখা এবং ২০১১সনে কৃষি শাখার অনুমোদন লাভ করে।

শ্রেনী

মোট

ছাত্র

ছাত্রী

৬ষ্ট

১৭০

৬৯

১০১

৭ম

১৪১

৬৭

৭৪

৮ম

১৪৫

৫৫

৯০

৯ম

১৫১

৫৩

৯৮

১০ম

৯৮

৪৫

৫৩

ক্রমিক নং

নাম

পদবী

০১

জনাব মো:আব্দুল লতিফ বড় ভূঁইয়া

সভাপতি

০২

জনাব জালাল উদ্দিন

সদস্য সচিব(পদাধিকার বলে)

০৩

জনাব মো:মুছবিবর আলী

শিক্ষক সদস্য

০৪

জনাব মো:সাহাব উদ্দিন

শিক্ষক সদস্য

০৫

জনাব ফকর উদ্দিন

সাধারন অভিভাবক সদস্য

০৬

জনাব এখলাছ উদ্দিন আহমদ

সাধারন অভিভাবক সদস্য

০৭

জনাব হাজী মো: এমদাদুর রহমান

সাধারন অভিভাবক সদস্য

০৮

জনাব মো: সুনার উদ্দিন

সাধারন অভিভাবক সদস্য

০৯

জনাব নূরুন নাহার

সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক সদস্য

১০

জনাব মো: আব্দুল মতলিব

দাতা সদস্য

১১

বাবু দেবাশীষ পুরকায়স্থ

শিক্ষানুরাগী সদস্য

ক্রমিক নং

সন

মোট পরীক্ষার্থী

মোট পাশ

শতকরা হার%

২০০৭

৬৫

২৮

৩৮.৮৮

২০০৮

৯৩

৫৮

৬২.৩৬

২০০৯

১৫৭

৯৫

৬০.৫

২০১০

১২৪

১০৬

৮২.৮১

২০১১

১০৯

৯৯

৯০.৮২

 

(খ) জে এস সি

ক্রমিক নং

সন

মোট পরীক্ষার্থী

মোট পাশ

শতকরা হার%

২০১০

১১৯

৭৫

৬৩.২০

২০১১

১৯১

১৭৭

৯২.৬৭

জলঢুপ দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়।

ডাক:জলঢুপ,উপজেলা:বিয়ানী বাজার,জেলা:সিলেট।

বিদ্যালয় কোড-১৩৫১ বেনবেইস নং-১৫০২০২১৩০১

ই আই আই এন নং-১৩০১৪৬ মোবাইল নং-০১৮১৯৫৬৫৮১৭

জলঢুপ দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় একটি প্রাচীন্ও ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ। ইহা সিলেট জেলার অন্তর্গত বিয়ানীবাজার থানার ১১নং লাউতা ইউনিয়নের জলঢুপ গ্রামে শে্ওলা-জুড়ি পাকা সড়কের পশ্চিম পার্শ্বে সরম্য মনোরম পরিবেশে টিলার উপর অবস্থিত U আকৃতির একটি প্রতিষ্টান।বিদ্যালয়ে ৩টি পাকা টিন সেডের ঘর,২টি পাকা একতলা বিল্ডিং একটি দু-তলা বিল্ডিং একটি লাইব্রেরী একটি ছাত্রীদের নামাজের ঘর একটি বিজ্ঞানাগার,একটি২০টি কম্পিউটার সহ B.L.S.P প্রদত্ত কম্পিউটার ল্যাব, একটি শহীদ মিনার,৪টি অফিস কক্ষ্ও একটি ছাত্রী মিলনায়তন আছে।বিদ্যালয়ের মোট ৬.৯১ একর জমি আছে। বিদ্যালয়ে ২টি খেলার মাঠ আছে যার একটি বিদ্যালয় সংলগ্ন এবং অন্যটি বিদ্যালয থেকে্প্রায় ১কিমি দুরে অবস্থিত। বিদ্যালয়ে ১৫টি শ্রেনী কক্ষ ১৪টি সৌচাগার বিদ্যমান।

১৯৪৯ ৯০.৮২% 388 মাধ্যমিক বিদ্যালয়
দেখুন
চারিকাটা উচ্চ বিদ্যালয়

ভিশন ভিশন ২০১৮ সালে বিদ্যালয়কে উপজেলার মধ্যে ফলাফল ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রগ্রোমে ১ম স্থানে উন্নতি করা।

মেধাবী ছাত্র/ছাত্রীর নামঃ

১। আশরাফ জাহান নয়ন-৭ম শ্রেণী

২। ফরহাদুল আলম পারভেজ-৭ম শ্রেণী

৩। রাহিমা বেগম- ৭ম শ্রেণী

৪। তানজিনা আক্তার- ৭ম শ্রেণী

৫। সুহাদা বেগম- ৭ম শ্রেণী

৬। মন্টি রানী রাউৎ- ৬ষ্ঠ শ্রেণী

৭। রুমান আহমদ- ৮ম শ্রেণী

অত্র বিদ্যলয়টি ১৯৯৫ ইং সালে এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত হলেওমূলত জনাব মোঃ আয়ুব আলী (সাবেক চেয়ারম্যান) এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ২০০০সালে পাঠ দানের অনুমতি ও ২০০২ সালে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেট কর্তৃক স্বীকৃতি পায়। পরবর্তীতে ১৬/০৬/২০১০ইং সালে জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জের বারবার নির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব ইমরানআহমেদের পৃষ্ঠপোষকতায় জুনিয়র স্তরে এমপিও ভূক্ত হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়টি মাধ্যমিক স্বীকৃতি প্রাপ্ত। বিদ্যালয়টি সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলারঅর্ন্তগত ৩নং চারিকাটা ইউনিয়নে অবস্থিত।

ছাত্র/ছাত্রীর তথ্যঃ

৬ষ্ঠ শ্রেণী-ছাত্র-৮০ ছাত্রী-৭৬

৭ম শ্রেণী-ছাত্র-৬৬-ছাত্রী-৬৩

৮ম শ্রেণী- ছাত্র- ২৩-ছাত্রী-২৬

৯ম শ্রেণী- ছাত্র-১৮-ছাত্রী-২১

১০ম শ্রেণী-ছাত্র-১১-ছাত্রী-১২

বর্তমান পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দে নামঃ

১। মোঃ আয়ুব আলী- সভাপতি

২। এটি এম বদরুল ইসলাম- শিক্ষানুরাগী

৩। মোঃ শাহ নেওয়াজ আবুল- অভিভাবক সদস্য

৪। মোঃ ফরিদ আহমদ- অভিভাবক সদস্য

৫। মোঃ শফিক আহমদ-অভিভাবক সদস্য

৬। মোঃ আকবর আলী-অভিভাবক সদস্য

৭। মোছাঃ আনোয়ারা বেগম-মহিলা অভিভাবক সদস্য

৮। মোঃ ইলিয়াছ উদ্দিন- দাতা সদস্য

৯। মোঃ শাহিনুর রহমান- শিক্ষক  প্রতিনিধি

১০। মোঃ শফিকুল আলম- শিক্ষক প্রতিনিধি

১১। মোঃ আলী হায়দার- সদস্য সচিব

২০১৫ সাল থেকে প্রথম এস এস সি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করবে।

উপজেলা জৈন্তাপুর ৩নং চারিকাটা ইউনিয়ন, ডাকঘরঃ জৈন্তাপুর, জেলাঃ সিলেট। উপজেলা সদর থেকে ৭ কিঃমিঃ দূরে।

অত্র বিদ্যলয়টি ১৯৯৫ ইং সালে এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত হলেওমূলত জনাব মোঃ আয়ুব আলী (সাবেক চেয়ারম্যান) এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ২০০০সালে পাঠ দানের অনুমতি ও ২০০২ সালে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেট কর্তৃক স্বীকৃতি পায়। পরবর্তীতে ১৬/০৬/২০১০ইং সালে জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জের বারবার নির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব ইমরানআহমেদের পৃষ্ঠপোষকতায় জুনিয়র স্তরে এমপিও ভূক্ত হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়টি মাধ্যমিক স্বীকৃতি প্রাপ্ত। বিদ্যালয়টি সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলারঅর্ন্তগত ৩নং চারিকাটা ইউনিয়নে অবস্থিত। এই বিদ্যালয় ৬জন শিক্ষক ১ জনশিক্ষিকা ১ জন অফিস সহকারী ও ১ একজন দপ্তরী কর্মরত আছে। বিদ্যালয়ে ২টিদ্বিকক্ষ বিশিষ্ট ভবন এবং ৩কক্ষ বিশিষ্ট আধা পাকা ভবন সহ মোট ভূমির পরিমাণ .৭৫শতক।

১৯৯৫ ৮৯% ৩৯৬ জন মাধ্যমিক বিদ্যালয়
দেখুন
জৈন্তিয়া পুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে কলেজ এ উন্নিত করা।

১৯৮৯ ইং সালের জানুয়ারী মাসে এলাকার যুব সমাজের মধ্যে থেকে জনাব, সিরাজ উদ্দিন সাহেবের উদ্যেগে এলাকার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গমনোপযোগী সাধারণ শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে এলাকার সাধারণ জনগনের প্রচেষ্টায় এবং সার্বিক সহযোগীতায় তুলনামূলক দূর্গম এলাকায় বিদ্যালয়ের অবস্থানের কারণে প্রতিষ্ঠারগ্নের পর থেকে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম থাকলেও  বর্তমানে এ হারে সন্তোষজনক। গ্রমীন এলাকায় বিদ্যালয়টির অবস্থান হওয়ায় অন্যান্য বিদ্যালয়ের তুলনায় সৌন্দর্যের দিক বিবেচনায় সকল কাজে আশানুরুপ অংশগ্রহন এবং সমর্থনের ফলে বিদ্যালয়ের যাবতীয় কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে চলমান অবস্থায় আছে। উপস্থিত সকলের একমত পোষন করেন এবং সবাই এলাকার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান। তাড়তাড়ী বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত করে দেওয়ার অনুরোধ জানান। এই সিদ্বান্তে ও অনুরোধের উপর ভিত্তি করে জনাব আখলাকুল আম্বিয়া চৌধুরী বিদ্যালয়ের জায়গা দান করেন এবং বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠত করেন।  এরপর থেকে ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি  ও লেখা পড়া শুরু হয়।

     

ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)

 

শ্রেণী

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

৬ষ্ঠ শ্রেণী

১২০ জন

১০১

২২০ জন

৭ম শ্রেণী

৯০ জন

৭৪ জন

১৯০ জন

৮ম শ্রেণী

৮১ জন

৪৮ জন

১৩০ জন

৯ম শ্রেণী

৯২ জন

৫২ জন

১৪৪ জন

১০ শ্রেণী

৭৬ জন

৪২ জন

১২০ জন

 নির্বাচিত মোট ১১ সদস্য বিশিষ্ট ম্যানেজিং কমিটি রয়েছে

   

বিগত ৫ বৎসরের পাশের হার

২০১০          ৮৫.৭১%

২০১১          ৯০.৭১%

 ২০১২          ৮৮.১৭%

 ২০১৪          ৮৬.২৪%

২০১৫         ৮৯.১৫%

                     

                                                                         প্রধান শিক্ষিকা

                                                                        আফরোজ বেগম

                                                                 মোবাইল নং-০১৭১২-২৪৭৯৭৭

                                                                জৈন্তাপুর,বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ।

১৯৮৯ইংরেজী ৮৫% ছাত্রীর সংখ্যা-৮০৪ জন । মাধ্যমিক বিদ্যালয়
দেখুন
জমির আহমদ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়

 

 

২০১২ও ২০১৩ সালে জে.এস.সি পরীক্ষায় শতভাগ ফলাফল অর্জিত হয়েছে।

 

শতভাগ ফলাফল অর্জন সহ বিশ্বনাথ উপজেলা তথা সিলেট জেলায় একটি আদর্শ ও ডিজিটাল মান সম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে রুপান্তর করা। এছড়া বিদ্যালয়টি কলেজিয়েট স্কুলে রুপান্তর এবং বিদ্যালয়ে বহুতল ভবন নির্মাণ করা।

মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ:

ক্রমিক

শিক্ষার্থীর নাম

ক্রমিক

শিক্ষার্থীর নাম

সুমী আক্তার

১৪

স্বাগতা চৌধুরী

সাম্মা বেগম

১৫

আলেখা বেগম

রাফাত বিন মস্তফা

১৬

শামিমা বেগম

প্রেরণা বৈষ্ণব ইতু

১৭

স্বতাব্দী রানী নাথ

সাদিয়া হালিম

১৮

অঞ্চনা রানী দেব

তাছলিমা বেগম ইমা

১৯

আলীনূর

শেখ মাইশা মোহাম্মাদ

২০

জুবায়ের আহমদ

হাফিজা বেগম

২১

আঃখাইয়ুম

তানিয়া বেগম

২২

সাজেদা বেগম সূজী

১০

ইমা বেগম

২৩

নাদিয়া আক্তার সীফা

১১

সুইটি রানী চন্দ

২৪

রম্নবেল আহমদ

১২

রশিদ আহমদ

২৫

পাপ্পু সূত্রধর

১৩

রাকিব আলী

২৬

উজ্জল দেবনাথ

প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস: বিদ্যালয়টি বিশ্বনাথ উপজেলার দক্ষিণে এবং বালাগঞ্জ উপজেলার উত্তর প্রান্তে, বিশ্বনাথ উপজেলায় অবস্থিত। উভয় উপজেলার কয়েক জন শিক্ষনুরাগী ব্যক্তি ১৯৬৮ সালে অত্র এলাকায় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। তাই বালাগঞ্জ উপজেলার ( বর্তমান ওসমানী নগর থানা) ৯নং দয়ামীর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী দানবীর আলহাজ্ব জমির আহমদ সাহেবের সাথে উক্ত বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি তাঁহাদের কে বিদ্যালয় স্থাপনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পরবর্তী সময়ে অত্র এলাকার সর্বস্তরের জনগনের উপস্থিতিতে আলহাজ্ব জমির আহমদ সাহেব বিদ্যালয় স্থাপনের প্রয়োজনীয় ভূমি সহ সকল আর্থিক ব্যয় ভার বহনে সম্মত হন এবং ১৯৬৯ সালে বিদ্যালয়টি “জমির আহমদ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়”নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করে অদ্যাবধি শিক্ষা বিস্তারে অনন্য অবদান রাখছে।

 

ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা  (শ্রেণিবিত্তিক)

শ্রেণি

মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা

ছাত্র সংখ্যা

ছাত্রী সংখ্যা

ষষ্ঠ শ্রেণি

১৪৮ জন

৬৭ জন

৮১ জন

সপ্তম শ্রেণি

১২৬ জন

৫৮ জন

৬৭ জন

অষ্টম শ্রেণি

১২১ জন

৪৪ জন

৭৭ জন

নবম শ্রেণি

১১৩ জন

৪৫ জন

৬৮ জন

দশম শ্রেণি

৭৭ জন

৩২ জন

৪৫ জন

 

বর্তমান  পরিচালনা কমিটির তথ্যঃ

ক্রমিক

নাম

পদবী

মমত্মব্য

০১

জনাব বাবুল আখতার

সভাপতি

 

০২

জনাব শাহী মোঃ গোলাম মোসত্মফা

সাধারণ শিক্ষক সদস্য

 

০৩

জনাব কৃষ্ণ ধন বৈষ্ণব

সাধারণ শিক্ষক সদস্য

 

০৪

জনাব রোকসানা ইয়াসমিন

সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক সদস্য

 

০৫

জনাব আব্দুল আজিজ

সাধারণ অভিভাবক সদস্য

 

০৬

জনাব মোজাহিদ আলী

সাধারণ অভিভাবক সদস্য

 

০৭

জনাব মোঃ মতছির আলী

সাধারণ অভিভাবক সদস্য

 

০৮

জনাব লুৎফুর রহমান

সাধারণ অভিভাবক সদস্য

 

০৯

জনাব আলহাজ্ব জমির আহমদ

প্রতিষ্ঠাতা সদস্য

 

১০

জনাব মোঃ মশিউর রহমান কবির

দাতা সদস্য

 

১১

জনাব হীরা মিয়া

বিদ্যুৎশাহী সদস্য

 

১২

জনাব মোঃ নাজির হোসেন

সদস্য সচিব

পদাধিকার বলে

 

 

বিগত পাঁচ বছরের পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল এস.এস.সি

ক্রমিক

সন

পরীক্ষার্থী

কৃতকার্য

পাশের হার

২০১২

৩৮

৩৭

৯৭.৩৬%

২০১৩

৪৩

৪৩

১০০%

২০১৪

৬৯

৬৬

৯৫.৬৫%

২০১৫

৫৫

৪৮

৮৭.২৭%

২০১৬

৭৮

৭৬

৯৭.৪৪%

 

 

বিগত পাঁচ বছরের পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল জে.এস.সি

ক্রমিক

সন

পরীক্ষার্থী

কৃতকার্য

পাশের হার

২০১১

৭৯

৬০

৭৫.৯৪%

২০১২

৮০

৮০

১০০%

২০১৩

৮৭

৮৭

১০০%

২০১৪

৯১

৮১

৮৯.০১%

২০১৫

১১৭

১১৩

৯৬.৫৮%

যোগাযোগ:সিলেট সদর হইতে ১৫ কি:মি দক্ষিণে, কুরুয়া বাজার বাসস্ট্যান্ড নেমে ০৩ কি:মি পশ্চিমে জমির আহমদ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়, ডাকঘর: নতুন বাজার-৩১২৯, উপজেলা: বিশ্বনাথ, জেলা: সিলেট

প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত র্বননা:অত্র বিদ্যালয়টি সিলেট জেলার, বিশ্বনাথ উপজেলার ৬নং বিশ্বনাথ ইউনিয়নের, বিশ্বনাথ উপজেলা সদর হইতে ০৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কুরুয়া বাজার বাসস্ট্যান্ড হইতে ০৩ কিলোমিটার পশ্চিমে নতুন বাজারস্থ আমির্দিং নদীর উত্তর তীরে অবস্থিত। বিদ্যালয়টি বিশ্বনাথ ও ওসমানী নগরের বিভিন্ন এলাকায় শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রতিষ্ঠানটি ০১ একর ৬৬ শতক ভুমি নিয়ে অবস্থিত। এখানে শিক্ষা দানের অনুকূল পরিবেশে দক্ষ, অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকদের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত আনন্দঘন পরিবেশে শ্রেণী পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। শিক্ষক, অভিভাবক, ম্যানেজিং কমিটি ও এলাকাবাসীর আন্তরিক প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়টি উত্তরোত্তর উন্নতি লাভ করছে।

প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৬৯ ইং 96.20% 584 মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্কুল ভবন (দেখুন)
দেখুন
হাজী মফিজ আলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও মহিলা কলেজ ০১/০১/১৯৭৮ইং ৮৯% ১৫০০ মাধ্যমিক বিদ্যালয়
দেখুন
শাহপিন উচ্চ বিদ্যালয়

অর্জনঃবিদ্যালয়টিপ্রতিষ্ঠারপরহইতেঅত্রগ্রামীনএলাকারশতশতগরিরছাত্র/ছত্রীলেখাপড়ারসুযোগপায়এবংএইপর্যন্তপ্রায়১৫০শতএস,এস,সিকৃতকার্যছাত্র/ছত্রীবিভিন্নকলেজবিশ্ববিদ্যালয়েউচ্চশিক্ষায়অধ্যয়নরতআছেএবংঅনেকেইবিভিন্নকর্মক্ষেত্রেজরিতবাসুযোগলাভকরিয়াছে।

ভবিষ্যতপরিকল্পনাঃছাত্র/ছাত্রীদেরকেউপযুক্তওমানসম্মতশিক্ষাদানেরমাধ্যমেযুগোপযোগীকরেতোলা।

নাই

শিক্ষাবৃত্তিতথ্যসমুহঃ২০১১সালে৮মশ্রেণীতে১টিছাত্রীসাধারণবৃত্তিলাভকরে।

হযরতশাহপিননাম্মীস্থানীয়দরবেশেরনামে১৯৯২সালেগ্রামবাসীরউদ্যোগেওঅর্থায়নেপ্রতিষ্ঠানটিপ্রতিষ্ঠিতহয়।এইপ্রতিষ্ঠানে১৩জনভূমিদাতাপ্রায়১.৫০(একর)ভূমিদানকরেনএবং৬জনব্যক্তিনিজনিজনামেমূলভবনের৬টিকক্ষদানকরেন।

 

শ্রেণী

ছাত্র

ছত্রী

মোট

৬ষ্ঠ

৩৩

২২

৫৫

৭ম

২৯

১৬

৪৫

৮ম

৩৩

১১

৪৪

৯ম

২১

১৯

৪০

১০ম

১৪

১৮

৩২

১২/০২/১২ইংতারিখেঅনুমোদনপ্রাপ্তবর্তমানপরিচালনাকমিটিতে১জনসভাপতি,১জনপ্রতিষ্ঠাতাসদস্য,১জনদাতাসদস্য, ১জনশিক্ষানুরাগীসদস্য,০৩জনশিক্ষকপ্রতিনিধিসদস্যও৫জনঅবিভাককসদস্যসহপ্রধানশিক্ষক/সদস্যসচিবযোগেমোট১৩জনসদস্যরয়েছেন।

বিগতপাচঁবছরেরপাবলিকপরীক্ষারফলাফলঃ

 

পাশেরসন

পরীক্ষার্থীরসংখাঃ

 

পাশেরসংখা

জিপিএ-৫/গোল্ডেনপ্রাপ্তসংখা

পাশেরহার

ছাত্র

ছত্রী

মোট

ছাত্র

ছত্রী

মোট

ছাত্র

ছত্রী

মোট

২০০৭

১৪

০৬

২০

০৭

০১

০৮

 

 

 

৪০%

২০০৮

১১

০৫

১৬

০৭

০৪

১১

 

 

 

৬৯%

২০০৯

২৫

০৯

৩৪

১৮

০৬

২৪

 

 

 

৭০.৫৮%

২০১০

১৬

২০

৩৬

১১

১৬

২৭

 

 

 

৭৫%

২০১১

২২

১৮

৪০

১৭

০৮

২৫

 

 

 

৬২.৫০%

যোগাযোগঃসিলেটথেকেবাসযোগেবিশ্বনাথ, বিশ্বনাথথেকেসি,এন,জিযোগেশাহপিনউচ্চবিদ্যালয়

 

 

বিশ্বনাথসদরইউনিয়নভুক্ত৭নংওয়ার্ডেরভোগশাইলগ্রামেবিদ্যালয়টিঅবস্থিত।এইবিদ্যালয়েরদুইভবনে১০টিশ্রেণীকক্ষ,৩টিঅন্যান্যকক্ষও১টিসভাকক্ষরয়েছে।বিদ্যালিয়েরছাত্র/ছাত্রীপ্রায়৩০০।শিক্ষকপদেরসংখা১১,কর্মরত৯,কর্মচারী-তৃতীয়-০১, চতুর্থ-০২।বিদ্যালয়েমানবিক, বিজ্ঞানওকম্পিউটারশাখাচালুআছে।

প্রতিষ্ঠাকাল-১৯৯২সাল।

১৯৯২ সাল ৮০% ২২০০ মাধ্যমিক বিদ্যালয়
দেখুন
দক্ষিণ বিশ্বনাথ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও মহিলা কলেজ

প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসঃ লেখাপড়ার পাশাপাশি সহ পাঠ্যক্রমিক জন্মলগ্ন থেকে অধ্যবধি সন্তুষজনক।

বালিকা (গ্রামীণ পরিবেশ) ফলাফল সন্তুষজনক।

০১/০১/১৯৯৩ ইং ৯৫% ২০০০ মাধ্যমিক বিদ্যালয়
দেখুন
রামসুন্দর অগ্রগামী হাই স্কুল

অর্জনঃ        বিদ্যালয় থেকে প্রতি বছর পাবলিক পরীক্ষায় সন্তোষজনক ফলাফল লাভ করে। এই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ছাত্রীরা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখিতেছে। বিশেষ করে প্রবাসে তারা ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। দেশেও রাজনৈতিক অঙ্গনে তাদের রয়েছে সরব বিচরন। সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তারা নেতৃত্বদান করে আসছেন। বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন বিভাগে এই স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা  কর্মরত আছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাঃ   

বিদ্যালয়টিকে উচ্চ মাধ্যমিক করার পরিকল্পনা আছে। তাছাড়া বি এম কলেজ চালু ছিল কিন্তু প্রাক্তন প্রধান শিক্ষকের অবহেলায় কলেজটি বন্ধ হয়ে যায়। আবার এটাকে পূর্ণরূপে চালু করার পরিকল্পনা আছে।

মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দঃ   

বিদ্যালয়ের অতীতে অনেক মেধাবী ছাত্র ছাত্রী যাঁরা দেশে ও বিদেশে কৃতিত্ত্বের স্বাক্ষ্য রাখিয়াছেন ও রাখিতেছেন। বিদ্যালয় হতে সংসদ সদস্য হয়েছেন দুইজন  ১।  জনাব নুরূল ইসলাম খান ২। জনাব এম ইলিয়াস আলী এবং সচিব পর্যায়ে জনাব মঈন উদ্দিন আর ভারত বর্ষে যাঁরা আছেন তাঁদের কথা এমূহুর্তে মনে পড়ছে না।   ইঞ্জিনিয়ার জনাব আবুল খয়ের, ডাক্তার শানুর আলী মামুন, ডাক্তার নুরুল আফসার বদরুল,  ডাক্তার আব্দুল মতিন, ডাক্তার এম মাহবুব আলী জহির, ডাক্তার সামসুল ইসলাম ও ডাক্তার নিজাম উদ্দিন সুমন এছাড়া নাম না জানা আরও অনেকেই যাঁদের নাম এমুহুর্তেব মনে পড়ছে না।  

শিক্ষা বৃত্তি তথ্য সমূহঃ  

সন

মেধা বৃত্তি

সাধারন বৃত্তি

মোট

ছাত্র

ছাত্রী

ছাত্র

ছাত্রী

২০০৭

০১

---

---

---

০১ টি

২০০৮

০২

০২

---

---

০৪ টি

২০০৯

---

---

০৬

---

০৬ টি

২০১০

০৩

০১

০১

০১

০৬ টি

২০১১

 

 

 

 

 

বিদ্যালয়টি ১৯০৯ সালে এম ই স্কুল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং পরবর্তীতে রামসুন্দর নামে ইহা মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করে এবং ১৯৩৪ সালে প্রথম বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ছাত্র অংশ গ্রহণ করে।  ১৯৮৪ সালে বিদ্যালয়টি এম,পি,ও ভুক্ত হয়।

শ্রেণী

ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা

মোট

ছাত্র

ছাত্রী

৬ষ্ঠ-ক

৮২

২০

১০২

৬ষ্ঠ-খ

৮৬

১১

৯৭

৬ষ্ঠ

১৬৮

৩১

১৯৯

৭ম-ক

৮৩

১১

৯৪

৭ম-খ

৯৬

১৬

১১২

৭ম

১৭৯

২৭

২০৬

৮ম-ক

৬৩

২২

৮৫

৮ম-খ

৭৩

১৮

৯১

৮ম

১৩৬

৪০

১৭৬

৯ম-ক

২৫

১১

৩৬

৯ম-খ

৬৮

১৫

৮৩

৯ম-গ

২২

০১

২৩

৯ম

১১৫

২৭

১৪২

১০ম-ক

৪৬

২০

৬৬

১০ম-খ

৩৮

০৬

৪৪

১০ম-গ

২০

----

২০

১০ম

১০৪

২৬

১৩০

 

৭০২

১৫১

৮৫৩

 

ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যাঃ    (ভোকেশনাল)                  

শ্রেণী

ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা

মোট

ছাত্র

ছাত্রী

৯ম

৩৯

০১

৪০

১০ম

২৭

০১

২৮

 

৬৬

০২

৬৮

বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্যঃ                                                                                      

ক্রমিক নং

নাম

পদবী

মন্তব্য

০১

মিঃ তজম্মুল আলী

সভাপতি

 

০২

মিঃ সিরাজ উদ্দিন

প্রতিষ্ঠাতা সদস্য

 

০৩

মিঃ ফয়জুর রহমান

দাতা সদস্য

 

০৪

মিঃ আব্দুল বারী

সদস্য সচিব

 

০৫

মিঃ আবুল কালাম কচির

সাধারন অভিভাবক সদস্য

 

০৬

মিঃ ছয়ফুল হক

সাধারন অভিভাবক সদস্য

 

০৭

মিঃ ফিরোজ খান (পংকি খান)

সাধারন অভিভাবক সদস্য

 

০৮

মিঃ সাহাব উদ্দিন

সাধারন অভিভাবক সদস্য

 

০৯

মিঃ মজম্মিল আলী

শিক্ষানুরাগী সদস্য

 

১০

মিসেস্ সাফিয়া রহমান

মহিলা অভিভাবক সদস্য

 

১১

মিঃ মোঃ মোহসিন

সাধারন শিক্ষক সদস্য

 

১২

মিঃ হাসানুজ্জামান চৌধুরী

সাধারন শিক্ষক সদস্য

 

১৩

মিসেস্ নন্দ রানী দাস

মহিলা শিক্ষক সদস্য

 

বিগত ০৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলঃ

পাসের সন

পরীক্ষার্থী সংখ্যা

পাসের সংখ্যা

জিপিএ-৫/গোল্ডেন

প্রাপ্ত সংখ্যা

পাসের হার

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

২০০৭

৫১

১৬

৬৭

৩১

১১

৪২

০২

০১

০৩

৬২.৬৯%

২০০৮

৩৬

১৩

৪৯

২৫

০৮

৩৩

০১

---

০১

৬৭.৩৪%

২০০৯

৭৩

২০

৯৩

৬২

১৬

৭৮

০৮

০৩

১১

৮৩.৮৭%

২০১০

৮২

১০

১০২

৬১

১৬

৭৭

০৮

০১

০৯

৭৫.৪৯%

২০১১

১১৩

৩৫

১৪৮

১০০

৩০

১৩০

০৯

০৪

১৩

৮৭.৮৪%

যোগাযোগঃ   

বিদ্যালয়টির যোগাযোগ ব্যবস্থা অতি উন্নত।  বিশ্বনাথ-সিলেট সড়কের অতি সন্নিকটে অবস্থিত। সিলেট - ঢাকা  মহাসড়কের ১৫ কিলোমিটার দূরে রশিদপুর - জগন্নাথপুর সড়কের ২.৫ কিলোমিটার দূরে সড়কের উত্তর পার্শ্ব ঘেuঁষ বিদ্যালয়টি অবস্থিত।                                                                                                     

বিদ্যালয়টি উপজেলা সদরে অতি প্রাচীন এ বিদ্যাপীঠ। ১৯৬০ ইংরেজীর মধ্যভাগ পযর্ন্ত এটাই বিশ্বনাথ উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছিল। বিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামো আধুনিক এবং ছাত্র ছাত্রীদের জন্য সুপানীয় জল ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নত। বিদ্যালয়টি তিন তলা বিশিষ্ট একটি ভবন আছে। ভবনের সর্বমোট ১৮ টি কক্ষ আছে। এছাড়াও ফ্যাসিলিটিজ কর্তৃক তিন কক্ষ বিশিষ্ট একতালা দুইটি ভবন রয়েছে এবং একটি হল রুম ও একটি ডাইনিং রুম আছে । বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেনী পযর্ন্ত প্রত্যেক শ্রেনীতে দুইটি শাখা আছে। তাছাড়া মানবিক, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য শাখাসহ এস এস সি ভোকেশনাল চালু এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন এস এস সি প্রোগ্রাম বিদ্যমান। বিদ্যালয়টি বাসিয়া নদীর দক্ষিন পাড়ে অবস্থিত। দক্ষিনে বিশ্বনাথ সিলেট সড়ক সংলগ্ন থানা থেকে শূণ্য কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বিদ্যালয়ে প্রায় তিন থেকে চারশ মূল্যাবান বৃক্ষ আছে । বিদ্যালয়টির তিন দিকে প্রাচীর ও উত্তর দিকে নদী অবস্থিত।

০১/০১/১৯০৯ ৮০% ২৫০০ মাধ্যমিক বিদ্যালয়
দেখুন
১০ আন্দিউড়া উম্মেতুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়

৬ষ্ঠ- ৩১৮ জন

৭ম- ১৮৮ জন

৮ম- ১৮৫ জন

৯ম- ১৪২ জন

১০ম- ৮৩ জন

১। জনাব মো: সেলিম চৌধুরী- সভাপতি।

২। জনাব মো: ফারুক মিয়া- সাধা: শিক্ষক সদস্য।

৩। জনাব মোহাম্মদ লাফু মিয়া- সাধা: শিক্ষক সদস্য।

৪। জনাব মানসুরা আক্তার- সংরক্ষিত মহিলা শিক্ষক সদস্য।

৫। জনাব আ: কুদ্দুছ চকদার- সাধা: অভিভাবক সদস্য।

৬। জনাব কামরুল হোসেন চৌধুরী- সাধা: অভিভাবক সদস্য।

৭। জনাব রহমত আলী- সাধা: অভিভাবক সদস্য।

৮। জনাব সুরঞ্জন চক্রবর্তী- সাধা: অভিভাবক সদস্য।

৯। জনাব গীতা রানী দেব- সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক সদস্য।

১০। প্রধান শিক্ষক, উক্ত বিদ্যালয়- সদস্য সচিব।

সন২০১০২০১১২০১২২০১৩২০১৪
জে.এস.সি-----
এস.এস.সি৭৮.৬৯%৯৬.১৫%৯৬.৮৮%৯৪.৫৫%৯৫.১৮%

আন্দিউড়া উম্মেতুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়টি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পার্শ্বে আন্দিউড়া নামক স্থানে অবস্থিত। 

১৯৩৩ ৯৫% ৯১৬ মাধ্যমিক বিদ্যালয়
দেখুন
দেখছেন ১ থেকে ১০ পর্যন্ত, মোট ৭০ এন্ট্রি

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন